বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বিক্রয়ের মাধ্যমে সফলতা অর্জনের ৬টি টিপস

 বিক্রয়ের মাধ্যমে সফলতা অর্জনের ৬টি টিপস

ইমেইল, ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং – এসব হল সংযোগ স্থাপনের বিভিন্ন উপায়। প্রযুক্তির ফলে যোগাযোগের যতই নতুন পন্থা আবিষ্কৃত হোক না কেন, সরাসরি মুখোমুখী যোগাযোগের কিন্তু এখনও কোন বিকল্প নেই। সেলস কর্মী হিসেবে আপনাকে মাঠে নামতে হবে এবং সামনা-সামনি থেকে কথা বলতে হবে।
কোন ক্লায়েন্ট প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করতে গেলে শুরুতেই নিজের ব্যবসার ফিরিস্তি দিয়ে না বসাটাই ভাল। অভ্যর্থনা ডেস্কে যে থাকবে তার কাছে গিয়ে সাহায্য চাওয়ার আদলে তথ্য জানতে চান। এই তথ্য জানা থেকেই ধীরে ধীরে নতুন ব্যবসার সম্ভাবনা খুলে যেতে পারে। সকল সেলস কল এতটা সহজ নয়। তবে সেলস কল আপনার বিপণন কৌশলের জন্য যথেষ্ট সহায়ক। যেকোন সেলস কলের জন্য এই টিপসগুলো মাথায় রাখুনঃ
•    ফ্রন্ট ডেস্কে বসা ব্যক্তিকে উপেক্ষা করবেন না। আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়েও হয়ত সে বেশি জানে বা বেশি প্রভাব রাখে।
•    অভ্যর্থনা ডেস্কে কারো সাথে কথা বলার সময় তার প্রথম নাম ব্যবহার করুন। এটা অনেকেই পছন্দ করে থাকে।
•    রিসেপশনিস্টকে জিজ্ঞেস করুন সে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে কিনা। এতে ইতিবাচক ও অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে আলাপ চালিয়ে নেওয়া যায়।
•    চারপাশে তাকিয়ে দেখুন ভাল করে, যেকোন ছবি, পুরস্কার বা গুরুত্বপূর্ণ অন্য যেকোন কিছু যা তাদের গর্ব তুলে ধরে এবং সেটার ব্যাপারে জানতে চান
•    সম্ভব হলে, প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখার অনুমতি চেয়ে নিন যাতে সবাইকে আর সবকিছুকে আপনি দেখে নিতে পারেন। ঘুরে দেখার সময়েই হয়ত আপনার সামনে কোন সুযোগ এসে ধরা দেবে।
•    আপনার সম্ভাব্য ক্লায়েন্টকে আপনার অন্য ক্লায়েন্টের সাথে পরিচয় করিয়ে দিন যারা একই সেবা নিয়ে কাজ করে থাকে। এতে বিশ্বাস অর্জন করা এবং ভ্যালু যোগ করা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।

ক্রেতা বা ক্লায়েন্টের সাথে আলাপ এগিয়ে নেওয়ার টিপস

ক্লায়েন্টের সাথে আলাপ এগিয়ে নেওয়ার ৩টি টিপস

ক্লায়েন্টের চাহিদা বুঝতে পারলে আপনার পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়ে যাবে।
যেসব ব্যবসায় একের বেশি পণ্য/সেবা থাকে তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হল একই কাস্টমারদের মাঝে তাদের ভিন্ন ভিন্ন পণ্য বিক্রি করা (ক্রস সেলিং)। এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সাথে আলাপ করা জরুরি আর কীভাবে আলাপ করবেন তা এখানে তুলে ধরা হলঃ
১. দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?
প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুইটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মাঝে এই দুইটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘন্টারও বেশি আলাপ করা যায়।
২. নিজের কোম্পানির ব্যাপারে বক্তব্য দিন
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়াও কখন ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনযোগ হারিয়ে ফেলবে।
৩. আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জ গুলো কী কী? 
এই ওপেন এন্ড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।
ক্লায়েন্টের সাথে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যতবেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোন প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য কোন সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সাথে পরবর্তীতে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিং এর সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।

কেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় অনেকে ব্যর্থ হয়

কেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় অনেকে ব্যর্থ হয় 
যারা ব্যর্থ তারা সব কাজে ব্যর্থতার সম্ভাবনা থাকে। কারণ তারা কাজে নামার পূর্বে ব্যর্থতার ভয় কাঁধে নিয়ে নেয়। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটি সহজ ব্যবসা। কিন্তু অনেকের জন্য ভয়ংকর রকম জটিল। কোনো ধারণা নেই এমন একজন লোক যখন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা আরম্ভ করে এবং কোনো প্রশিক্ষণ ব্যতীত নতুনদের পরামর্শ দেয় তবে তার ব্যবসা জটিল হবেই। একজন অতি বুদ্ধিমান লোক যখন জানতে পারলেন ডাউন-লাইনের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে কমিশন বৃদ্ধি পায় পরদিন তিনজন নতুন অতিথি নিয়ে উপস্থিত হলেন। কিন্তু অতি বুদ্ধিমান লোকটি তখনো ব্যবসারম্ভ করেননি। পরের ঘটনা বুঝতেই পারছেন চারজনই তর্কে জড়িয়ে পড়ল কে আগে জয়েন করবে। এজন্য এ ব্যবসায় প্রশিক্ষন কিংবা দিক নির্দেশনা অত্যাবশ্যক। আমরা এক নজরে দেখে নেই কেন এমএলএম ব্যবসায় অনেকে ব্যর্থ হয়।
ক. যিনি ব্যবসা বুঝেন নাঃ   নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতিকে আমরা ব্যবসা হিসেবে চিহ্নিত করি। অবশ্যই সফলতার জন্য ব্যবসা বুঝতে হবে। ব্যবসা মানে কি শুধু লাভ-ক্ষতির? দশ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে প্রথম একবছর শোরুম কিংবা ঘরভাড়া যোগান দেয়া কষ্টকর হয়ে যেতে পারে। তাহলে কি পরের বছরই ব্যবসা ছেড়ে দেয়? ধৈর্য্য, অভিজ্ঞতা অর্জন, পরিচিতি ও মুনাফা অর্জন করতে হবে তবেই লাভ আসবে। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সবকিছুর জন্য যদি দুমাস ব্যয় করেন-দীর্ঘ মেয়াদী আয়ের পর সৃষ্টি হবে। যিনি দু’মাস ব্যয় করতে পারেননা ধরে নিতে হবে তিনি ব্যবসা বুঝেন না। তিনি ব্যর্থ হবেন এটাই সত্য।
খ. মার্কেটিং জানেন না বলেইঃ  যে কোন পণ্য বিপননে আপনাকে কথা বলতে হবে। পণ্যের গুণাগুণ, মূল্য, বিক্রয়োত্তর সেবা ইত্যাদি বলতে না পারলে বিক্রয় সম্ভব হয় না। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ এসব ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদী কমিশন ও রেমিডিউল আয়ের সম্পর্কে বলতে হবে ক্রেতাদের। অর্থাৎ কোম্পানী, পদ্ধতি ও পণ্য সম্পর্কিত বিপননে ব্যর্থ হলে আপনি ব্যর্থ হবেন। আমরা নেতিবাচক পরিবেশে বাস করে এমন অভ্যস্থ যে কেউ কোন সুযোগ বা সম্ভাবনার কথা বললে ও বিশ্বাস করতে চাইনা। এজন্য ভালো বিক্রয়কর্মী না হলে আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ সফলতা পাবেন না।
গ. অসৎ উপায় অবলম্বনঃ  এমএলএম ব্যবসায় সফলতা প্রাপ্তি যেমন সহজ তেমনি ব্যর্থতাও দেখা যায় যখন কেউ অসৎ উপায় অবলম্বন করে যেমন ডাউন-লাইনের অতিথি চুরি করা, তাদের ভুল পরামর্শ দেয়া, অন্য গ্রুপে বিবাদ সৃষ্টি করা অন্যদের অর্থ আত্মস্বাত করা ইত্যাদি। যেহেতু এমএলএম ব্যবসায় ডুপ্লিকেশন হয় এজন্য আপনি যা করবেন ঠিক আপনাকেই অনুসরন করবে আপনার ডাউন-লাইনাররা। আপনার শিখানো পন্থায় আপনাকে ব্যর্থ হতে বাধ্য করবে।
ঘ. অন্যের উপর নির্ভরশীলতাঃ  নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় দলীয় উৎপাদনশীলতা অনেক বেশি তাই বলে অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। নিজের কর্মদক্ষতা প্রমান করতে পারলেই সফল হওয়া সম্ভব। অনেক বুদ্ধিমান মানুষ নির্বুদ্ধিতার কাজ করে যখন অন্যকে দিয়ে নিজের কাজটুকু সারিয়ে ফেলতে চায়। এ ব্যবসায় প্রত্যেককে দৌড়াঁতে হয় যারা পিছনে পড়ে যায় তারা পূনরায় নিজস্থান দখল করতে বহুগুণ কষ্ট করতে হয়। যারা নির্ভরশীল তাদের ব্যর্থতা অনিবার্য।
ঙ. নেতৃত্ব প্রদানে ব্যর্থতাঃ  নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় এককভাবে বিপণন করে বেশি দূর এগোনো যায় না। যখনই নতুন কাউকে স্পন্সর করবেন কিংবা দলগঠন করার চেষ্টা করবেন তখনি নেতৃত্ব প্রদানের বিষয়টি চলে আসে। আপনার ডাউন-লাইনে যতবেশি নেতা তৈরীতে সক্ষম হবেন আপনার সফলতা তত বেশি হবে। কিন্তু নেতা তৈরীর জন্য আপনাকে নেতা হতে হবে। অর্থাৎ নেতৃত্ব প্রদানের সামর্থ্য প্রয়োজন। নেতৃত্ব প্রদানে ব্যর্থতার দরুন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় অনেকে ব্যর্থ হয়।

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ দক্ষতা অর্জন

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং দক্ষতা অর্জনের উপায়

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতা লাভের জন্য কিংবা রয়্যালটি আয় উপভোগ করার জন্য প্রয়োজন দক্ষতা অর্জন। এমএলএম দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা যেতে পারে তন্মধ্যে নিন্মোক্ত বিষয়সমূহ অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন ত্বরান্বিত হয়।
ক. সংশ্লিষ্ট বিষয়টি ভালভাবে জানাঃ  নেটওয়ার্ক মার্কেটিং হোক কিংবা অন্য কোন পেশা, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট বিষয়টি ভালোভাবে জানা, ভালোভাবে জেনে শুরু করা আর না জেনে শুরু এ দুয়ের পার্থক্য হলো সাফল্য। কারণ বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান লাভের জন্য প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস থাকতে হবে, পৃথিবীর খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে হবে এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করুন।
খ. সফল নেটওয়ার্কারদের অনুসরণ করুনঃ  দক্ষতা অর্জনের জন্য সফল নেটওয়ার্কারদের অনুসরন করুন যেমন-তারা কিভাবে কাজ করছে, কিভাবে কথা বলছে, কিভাবে প্রেরণা যুগাচ্ছে, কি উপদেশ দিচ্ছে, কিভাবে গ্রুপ বা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছে, পণ্য বিক্রয়ে কি কৌশল অবলম্বন করছে ইত্যাদি। আপনি জ্ঞানী হলেও নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান তাদের বেশি থাকাই স্বাভাবিক, নতুন নতুন তথ্য জানার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। নিজের চেয়ে সফল যারা তাদের অনুসরণ করা মানে নিজের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা।
গ. ভালো বক্তা হয়ে উঠুনঃ  ভালো বক্তা হওয়ার জন্য ভালো জানতে হবে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। এজন্য ভালো বক্তা হওয়া মানে দক্ষতা অর্জনে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া। শুধু নিজে বলবেন তা নয় অন্যদের বলার সুযোগ দিতে হবে। অধিকাংশ ব্যক্তির মতামতের সহিত যখন আপনার মতামত মিলে যাবে তখনই বুঝবেন আপনার সিদ্ধান্ত সমূহ সঙ্গতিপূর্ণ যা দক্ষতার পরিচয় বহন করে।
ঘ. সকল প্রকার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুনঃ  দক্ষতা অর্জনের জন্য সকল প্রকার প্রশিক্ষন গ্রহন করতে হবে যেমন পণ্য সম্পর্কিত ও বিক্রয় সম্পর্কিত প্রশিক্ষন, প্রেষণামূলক প্রশিক্ষণ, মনোভাব বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কমিশন পদ্ধতি ও টীম বিল্ডিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। প্রতিটি বিষয়ের পৃথক প্রশিক্ষন আপনাকে বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা লাভে এগিয়ে নেবে। প্রশিক্ষনের পর যে কোন কাজ পূর্বের চেয়ে অনেক সহজবোধ্য মনে হবে এবং সঠিকভাবে সম্পাদন করার অনেক কৌশল আপনি বের করতে সক্ষম হবেন।
ঙ. এমএলএম এর মৌলিক বিষয়গুলো আয়ত্ত  করুনঃ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতার জন্য দক্ষতা প্রয়োজন এবং দক্ষতা লাভের জন্য এমএলএম-এর মৌলিক বিষয় যেমন প্রেজেন্টেশন, ক্লোজিং, ফলোআপ, প্রশিক্ষন ইত্যাদি বিষয়গুলো আয়ত্ত করতে হবে। ডাউন-লাইনে ডিস্ট্রিবিউটরের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে আপ-লাইনার বা লিডারদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। দক্ষতার সাথে পরিচালনায় ব্যর্থ হলে আপনার সফলতার সম্ভাবনাও ক্ষীন হয়ে আসবে। এজন্য এমএলএম এর মৌলিক বিষয়গুলো আয়ত্ত করে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
চ. ভালো উদ্যোগী হয়ে উঠুনঃ  যে কোন কাজে উদ্যোগ গ্রহন করা একটি উৎকৃষ্ঠ গুণ। কিছু মানুষ আছে যারা বেশ উদ্যোগী এবং এমন নতুন নতুন বিষয় তারা তৈরী করে যা দ্বারা সকলেই উৎসাহী হয়। ভালো ও আকর্ষণীয় বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন এবং উদ্যোগ নিন তা সম্পন্ন করার। যেমন ধরুন দীর্ঘদিন যাবত একই স্থানে (বদ্ধরুমে) প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন হঠাৎ এর পরিবর্তন করে নতুন উন্মুক্ত কোন স্থানে আয়োজন করলে তা অবশ্যই আকর্ষণীয় ও ফলপ্রসূ হবে। এসব উদ্যোগ গ্রহন দক্ষতার ছাপ রাখবে।
ছ. কাজে আনন্দ সৃষ্টি করুনঃ  যে কাজ আপনাকে আনন্দ দেয় সে কাজের ফলাফলও চমৎকার। অর্থাৎ যে কাজ আপনাকে করতে হবে সে কাজে আনন্দ সৃষ্টি করুন। মনে রাখবেন কাজ করার সময় কাজের ফলাফলের চিন্তা না করে সঠিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করুন। যেমন ভালো ক্লোজিং ও সঠিক সময়ে ফলোআপ করলে সম্ভাব্য ক্রেতার ইতিবাচক ফলাফল আসবেই। এজন্য যে কাজ করা উচিত তা আগে করুন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কাজে আনন্দ তৈরী করুন।